আকাশের মেঘমালায় ভাসমান ক্ষুদ্র জলকনা যখন ঘনীভুত হয় তখন বৃষ্টির ফোটা হয়ে লক্ষ লক্ষ কনা পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ে… রাসায়নিক উপাদান প্রতিটি কনার প্রায় এক হলেও প্রতিটি কনাই বহন করে মানুষ নামের স্তন্যপায়ী প্রানীটির মনের কোন একটা ভাব। কারোকাছে আশির্বাদ, কারো কাছে তা অভিশাপ। কারো কাছে তা আনন্দের কারো কাছে তা বিরহের। কারো কাছে তা গদ্য কবিতা আবার কারো কাছে তা অনুভুতির অংশ। কারো কাছে ডিম খিচুড়ি আবার কারো কাছে তা অভুক্ত থাকার কারন।
মানুষ নামের প্রানীটা বড় অদ্ভুত, বয়সের সাথে সাথে দেহের গঠনের পরিবর্তন যেমন হয়, সাথে সাথে মানসিক পরিবর্তনও ঘটে। কারো তা চোখে পরে কারো চোখে পরে না… ছোটবেলায় বৃষ্টি দেখলে আনন্দে আত্বহারা হয়ে যাওয়া শিশুটাও আজ বড় হয়ে বৃষ্টি হলে উদাস নয়নে তাকিয়ে বৃষ্টি দেখে। পানি কাদা দুচোখে সহ্য করতে না পারা মানুষটা বড় হয়ে আজ কোন কারন ছাড়াই বৃষ্টিতে ভিজে। কেউ জানে না কেন… হয়ত মানুষগুলো নিজেরাও জানে না।
বৃষ্টি তখনও পড়ত, বৃষ্টি আজও পড়ে, বৃষ্টি এখনও পড়ছে অনুভুতিগুলো শুধু আলাদা…..
রজার মিলারের সুন্দর সে উক্তিটা দিয়ে শেষ করি….
“Some people walk in the rain, others just get wet”